কৌশল/উইকিমিডিয়া আন্দোলন/২০১৭/চক্র ৩

This page is a translated version of the page Strategy/Wikimedia movement/2017/Cycle 3 and the translation is 69% complete.
Outdated translations are marked like this.
সংশোধিত তারিখ
প্রথম চক্র (শেষ হয়েছে) যুক্তিপূর্ণ দ্বিতীয় চক্র (বিতর্ক) সর্বশেষ যুক্তিতর্ক তৃতীয় চক্র (নতুন কণ্ঠের সামগ্রী;
কৌশলগত দিকনির্দেশনার দলগত খসড়া জমা)
বিনিময় ও নিকাশ করা পৃষ্ঠাঙ্কন দশা ২
মার্চ ১৪ - এপ্রিল ১৮ এপ্রিল ১৮ - মে ৫ মে ১১ - জুন ১২ জুন ১২-জুন ৩০ জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর ২০১৭-২০১৮

Week 5 (click to expand or collapse)

Week 5 Challenge: How does Wikimedia meet our current and future readers’ needs as the world undergoes significant population shifts in the next 15 years?

Key insight 1

As the world population undergoes major shifts, the Wikimedia movement has an opportunity to help improve the knowledge available in more places and to more people. The continent of Africa is expected to have a 40% increase in population, along with improved internet access and literacy rates in the next 15 years. Spanish is expected to become the second most common language within 35 years. As new cultures and geographies become more dominant, the Wikimedia projects as they currently exist may be less relevant for the majority of the world’s population.

The insight above is based on the movement strategy research paper, Considering 2030: Demographic Shifts - How might Wikimedia extend its reach by 2030?

Key highlights from the report

  • Global population is shifting: By 2030, the global population projections are expected to reach 8.4 billion people (15% increase). While populations in Europe are expected to plateau, and the Americas will only have moderate growth (128 million more people), Africa is forecasted to increase by 40% - a total of 470 million more people.[5 1]
  • The population is aging: The median age is expected to rise from 29.6 to 33 years old. Africa will continue to be the youngest median age (moving from 19.6 years old to 21.4 years old).[5 1]
  • The global workforce is changing: The workforce is expected to reduce, as the percentage of the population aged 15-64 decreases. Attributed to decreased fertility, Europe and Northern America are predicted to undergo substantial decreases in their workforce population proportions, dropping approximately 5-6%.[5 2] Currently 25% of Japan’s population is over the age of 65, compared to 15% in the U.S.[5 3] To combat this issue, Japan has raised its working age above 65. By 2050, 32 other countries will have 25% of their populations over 65, so they may likely follow suit.[5 4]
  • Education levels are increasing: The world will become increasingly more educated with the proportion of literate people rising from 83% to 90% between 2015 and 2030. Africa will have the highest increase in literacy, rising from 62% (2015) to 80% (2030). Asia will increase its literacy rates by 7%, from 83% (2015) to 90% (2030). Europe and Northern America will retain their high literacy rates (99-100%).[5 5]
  • By 2050, Spanish moves from the fourth to the second most common language: Researchers expect the most common languages in the world to be Mandarin (#1), Spanish (#2), English (#3), Hindi (#4), and Arabic (#5). English is projected to move from the second to the third most common language by 2050.[5 6]

Key insight 2

According to recent research, readers in seven of our most active countries have little understanding of how Wikipedia works, is structured, is funded, and how content is created. This is especially true among 13-19 year olds. The research also found that readers mainly consider utility (usefulness), readability, and ‘free knowledge for every person,’ the most important attributes of Wikipedia. They associate Wikipedia least strongly with “neutral, unbiased content” and “transparency.” This represents an opportunity to increase brand awareness and knowledge.

This insight is based on the recent Brand awareness, attitudes, and usage research study. This survey was fielded in France, Germany, Japan, Russia, Spain, the UK, and the US via an online survey accessible on a PC, laptop, or device (tablet, smartphone).

Key excerpts from the research

  • Across the seven countries, close to 80% of internet users are aware of Wikipedia when shown the logo. Spain has the highest awareness (89%) and Japan has the lowest (64%).
  • When asked “when you want to find information online what three websites do you go to most often,” Google (85% on average) is the top answer followed by Wikipedia (45%), YouTube (43%), Yahoo! (19%) and Facebook (17%).
  • Overall, 20% first found out about Wikipedia on the internet and 20% through school. There are generational differences, though: 35% of 13-19 year old internet users say they first heard about it in school, while 73% of 36-49 year old internet users say online.
  • Across all seven countries, internet users that are aware of Wikipedia associate it most strongly with “free knowledge for every person” (8.5 out of 10) and “useful” (8.3 out of 10). They associate Wikipedia least strongly with “neutral, unbiased content” (7.0) and “transparency” (6.9). There are strong generational differences, with 13-19 year olds giving Wikipedia lower association scores on most attributes.
  • When asked what is most important to those internet users that are aware of Wikipedia, the highest attributes are “useful,” “free knowledge for every person” and “easy to read.” What’s least important is “transparency” and “free of advertising.”
  • Across generations there is also broad agreement that “more trustworthy content” (57%), “higher quality content” (51%), “more neutral content” (44%), and “more visual content” (41%) would enhance their personal experience “a lot.”
  • Proportionately, Wikipedia finds its strongest audience in Spain where 91% of internet users 13-49 are aware of it and 89% read it. This compares to the average of internet users across all countries, 84.1% are aware of it and 81.1% read it.
  • By country, 75% of Wikipedia readers in Russia and 73% in Spain read Wikipedia weekly or more. Twenty-four percent of Russian and Spanish readers read daily. The lowest weekly readership is found in Japan and the UK (60% of readers each).
  • Overall, about half of Wikipedia readers access the site “often” from a desktop or laptop, or a smartphone. Readers ages 13-35 are much more likely to say they access Wikipedia often from a smartphone, and readers 13-19 years old are the most likely to say they often access Wikipedia through a service such as Siri or Alexa (21% of 13-19 year olds vs. 10% of 36-49 year olds).

For more information, please read the complete preliminary executive summary.

একটি সমাধান দিন

অনুগ্রহ করে আলোচনা করুন কিভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা যায়।

টীকা: সম্প্রদায়ের মতামত খসরা দলের সাথে বিনিময় করা হবে এবং সেগুলো ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যবহার করা হবে।


  1. a b "World Urbanization Prospects: The 2014 Revision". United Nations, Department of Economic and Social Affairs, Population Division. Accessed 2017-06-15
  2. Lee, Ronald, and Andrew Mason. “The Price of Maturity: Aging Populations Mean Countries Have to Find New Ways to Support Their Elderly.” Finance & Development 48.2 (2011): Pages 6–11.
  3. Schlesinger, Jacob M.; Martin, Alexander. "Graying Japan Tries to Embrace the Golden Years". Wall Street Journal. November 29, 2015. Accessed 2017-06-15.
  4. Rodionova, Zlata. "Japan’s Elderly Keep Working Well Past Retirement Age". The Independent. Retrieved 2017-06-15
  5. Country Profiles”. International Futures, Pardee Center. Accessed June 25, 2017.
  6. Graddol, David. “The Future of English: A guide to forecasting the popularity of the English language in the 21st century”. Accessed June 24, 2017
Week 4 (click to expand or collapse)

চ্যালেঞ্জ ৪: বিশ্বব্যাপী তথ্যের বিনিময়, প্রাপ্যতা ও উপস্থাপনা যে হারে পরিবর্তন হচ্ছে, এর সাথে উইকিমিডিয়া প্রকল্প কিভাবে একসাথে চলতে পারে?

প্রধান বিষয়

বিশ্বের সব অঞ্চলেই এই প্রবণতার পরিবর্তন হচ্ছে। উদীয়মান বা মোবাইল ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী স্থানসমূহে।

  • যেসব স্থান অনলাইনের ও মোবাইলের আওতাভূক্ত হচ্ছে সেসব স্থানে মোবাইল বিষয়বস্তু একটি ভালো সুযোগ।
  • বিশ্বব্যাপী ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন বিষয়বস্তু সহজ থেকে কঠিনতর হচ্ছে আবার বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে সেগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পরছে। এরমধ্যে রয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ইত্যাদি।

মানুষ কিভাবে জ্ঞান তৈরি ও বিনিময় করে সেটি এই প্রবণতা পরিবর্তন ঘটাবে।

উপরের বিষয়গুলো আন্দোলন কৌশলের গবেষণা পত্র কৌশল ২০৩০:ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উইকিমিডিয়া প্রকল্পে যেভোবে প্রভাব ফেলবে তার উপর ভিত্তি করে তৈরি।

উদীয়মান প্লাটফর্মের উপর গবেষণা করে পাওয়া গিয়েছে যে, সেগুলো কিভাবে ভবিষ্যৎ মানুষ ও তাদের প্রযুক্তির উপর প্রভাব ফেলবে। এই পরিবর্তন মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের কর্মকাণ্ডেও প্রভাব ফেলবে। এটাও মনে রাখতে হবে যে, তথ্যের এই সহজলভ্যতার মধ্যে বানিজ্যিক কোম্পানি বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান হবে এবং আরও বেশি জ্ঞানভিত্তিক তথ্য তৈরি হবে।

আন্দোলনের জন্য প্রবণতা এবং সুযোগ

নিয়ার টার্ম - মোবাইল প্রবেশাধিকার

বৈশ্বিক মোবাইল প্রবণতার প্রতিবেদন অনুসারে মোবাইলই ইন্টারনেট ও ইন্টারনেটই মোবাইল[4 1] প্রায় পুরো প্রজন্মের কাছে ইন্টারনেট মোবাইল ডিভাইস বা অন্য ডিভাইসে সহজলভ্যতা লাভ করেছে।[4 2] গবেষকরা বলেছেন মোবাইল ওয়েব দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার উপ-সাহারা ও এশিয়াতে ৪০%। বিশ্বের ৭.৩ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে ৩.৪ বিলিয়ন মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে। মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারে সবচেয়ে বড় বাধা হল নিজের ভাষায় বিষয়বস্তুর প্রাপ্যতা।[4 1] উইকিমিডিয়া আন্দোলনের জন্য স্থানীয় ভাষায় প্রবেশাধিকারের লাভের সুযোগ রয়েছে এবং নতুন সহযোগীদের মাধ্যমে, কাজ করে এই লক্ষ পূরণ করা যাবে।

উদীয়মান প্লাটফর্ম ও ধরণ

দুই প্রতিবেদন অনুসারে[4 3] প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা ওচার ধরণের বিষয় ও প্লাটফর্ম এখন ও ২০৩০ এর মধ্যে পরিণিতি লাভ করবে বলে মনে করেন ম্যারি মিকার ও অ্যামি ওয়েব।

  1. কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও সেগুলোকে শিক্ষার কাজে ব্যবহার মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। এসব বিষয় মানুষকে লিখিত আকারের চেয়ে আরও বেশি ভয়েস এক্টিভেটেড অ্যাপ্লিকেশনের দিকে নিয়ে যাবে। উইকিমিডিয়ানরা আরও বেশি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার দিকে নজর দিবে। এটা তারা এখন যা করছে এবং ভবিষ্যতে যা করবে তার মধ্যে একটি আমূল পরিবর্তন সাধন করবে।
  2. ভার্চুাল রিয়ালিটি মানুষ এখন যেভাবে জ্ঞান সংগ্রহ করছে তা ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করবে। এ বিষয়য়ের জন্য লিখিত জ্ঞান সংগ্রহ আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়বে। তবে উন্মুক্ত তথ্য বর্তমান প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ সহপ্রকল্পের জন্য একটি দারুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং স্ট্রাকচার্ড উপাত্ত এব্যাপারে সাহায্য করবে।
  3. উদ্দীপিত বাস্তবতা ও অন্যান্য বিষয়বস্তু ব্যবহারকারীর প্রদর্শনের পছন্দে সবার উপরে থাকবে। এই প্রবণতা ব্যবহারকারীদের উইকিমিডিয়া প্রকল্পে প্রবেশাধিকারের ব্যাপারে উৎসাহিত করবে এবং শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিপ্লব তৈরি করবে।
  4. পুরাতন অফলাইন তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া তখনও বিদ্যমান থাকবে যেহেতু মানুষ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সম্পর্কে সচেতন হবে এবং সব সময় অনলাইনে না থাকার একটা প্রবনতা রয়েছে।

সম্ভাব্য নেতিবাচক ফলাফল

শেষে, গবেষকরা সম্ভাব্য নেতিবাচক ফলাফল বিনিময় করেছেন:

  • যখন কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়বস্তু তৈরি করবে তখন এটাতে পক্ষপাতিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে যেহেতু তারা বিদ্যমান উৎস ব্যবহার করবে।
  • যেহেতু মানুষ তাদের প্রয়োজন অনুসারে তথ্য অনুসন্ধান করবে সেহেতু তারা অন্য বিষয়সমূহে প্রবেশাধিকার হারাবে।
  • যেসব তথ্য বেশি পরিমানে বিদ্যমান সেখান থেকে অনুসন্ধান কঠিন হয়ে যাবে এবং নতুন তথ্যের প্রাপ্যতা নষ্ট করবে।
  • ডিজিটাল বৈষম্য - যাদের কাছে অনলাইন তথ্য রয়েছে এবং যাদের কাছে নেই তাদের মধ্যে দুরুত্বর আরও বেশি পরিমাণে তৈরি হবে।
  • ভার্চুয়াল রিয়ালিটি, অগমেন্টেড রিয়ালিটি এবং ব্যক্তিগত সহকারী মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান আরও পেইড কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহ দিবে। যদি এটি বৃদ্ধি পায় সেক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা বিষয়বস্তু তৈরিতে উৎসাহ হারাবে।
  • শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ ও অন্যান্যরা এসব তথ্যে প্রবেশাধিকার ও তথ্যগুলো অনুসন্ধানে আরও সময় ব্যয় করবে।


  1. a b "Global Mobile Trends". GSMA Intelligence, October 2016. Accessed June 27, 2017.
  2. "Global Mobile Trends," slide 8
  3. NOTE: The numbered list 1-4 was drawn from two reports: Mary Meeker, "Internet Trends Report 2017". Kleiner Perkins. May 31, 2017. Accessed June 27, 2017. Amy Webb, “2017 Tech Trends Annual Report”. Future Today Institute, 2017. Accessed June 27, 2017.
তৃতীয় সপ্তাহ (বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন)

তৃতীয় সপ্তাহের চ্যালেঞ্জ: উইকিমিডিয়া ২০৩০ নিয়ে চিন্তা করার সময় আমরা কিভাবে ভুল তথ্যে ছড়াছড়িতে সঠিক তথ্যটি নির্ণয় করতে পারি?

উইকিমিডিয়া ২০৩০ কৌশল আন্দোলনের প্রক্রিয়া হিসেবে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন সতন্ত্র গবেষণা সংস্থাগুলোর সাথে মুক্ত জ্ঞানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য কাজ করছে এবং এই তথ্যগুলো সম্প্রদায়ের সাথে বিনিময় করছে। এই দুই প্রতিবেদন তৈরি করেছে ফিলাডেলফিয়া ভিত্তিক ডট কানেক্টর স্টুডিও এবং সেন্ট পল ভিত্তিক কৌশল ও পরিকল্পনা ফার্ম লুটম্যান ও এসোসিয়েশন কর্তৃক।

প্রধান বিষয়

ভুল তথ্যের ছড়াছড়ির এই সময়ে উইকিমিডিয়ানরা সঠিক উৎসটি নির্ণয় করতে সমস্যায় পড়তে পারেন।

তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে উইকিমিডিয়া ২০৩০: প্রযুক্তির উৎকর্ষ উইকিমিডিয়ার ভবিষ্যত কর্মপন্থায় প্রভাব পড়বে।[3 1] গবেষকরা এই ভুল তথ্যের প্রবণতাকে দুটি ভাগে ভাগ করছে। এরমধ্যে একটি হলো তথ্যের উৎস এবং কিভাবে তথ্যতে প্রবেশাধিকার ঘটছে। প্রতিটিতে তারা বৈশ্বিক তিনটি প্রভাবকে চিন্তা করেছেন: প্রযুক্তি, সরকার এবং রাজনীতি ও বাণিজ্য।

বিশেষ করে, গবেষকরা নিচের প্রবণতাগুলো নিয়ে কাজ করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন কিভাবে সেগুলো আমাদের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করবে:

  • তথ্য যুক্ত করার ধরণে প্রযুক্তিগত বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে এবং কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তথ্য যুক্ত করার কাজ আরও গতিশীল করবে। যদিও এই কাজটির ফলে তথ্যসূত্র যুক্ত করণ ও উন্নত তথ্য বৃদ্ধি পাবে কিন্তু এরফলে তথ্যের পক্ষপাতিত্ব তৈরি হবে এবং ভুল তথ্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এই ব্যাপারটি অারও ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে যখন কোন স্বয়ংক্রিয় বট বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্ঠা করবে।[3 2] এরফলে উইকিমিডিয়ানদের নির্ভরযোগ্য উৎস খুঁজে বের করা ও নিবন্ধের মান নিয়ন্ত্রন করা জটিল করে তুলবে।
  • প্রযুক্তি অাস্তে আস্তে ব্যক্তিগত ডিভাইসের দিকে স্থানান্তরিত হবে (মোবাইল ডিভাইস, পরিধানযোগ্য ডিভাইস ও ভিডিও ভিত্তিক ব্যক্তিগত সহকারী) এবং উইকিমিডিয়া প্রকল্পে বর্তমান প্লাটফর্মে আরও কঠিন হবে।
  • বৈশ্বিক মুক্ত জ্ঞান বিনিময় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বর্তমানে।[3 3] [3 4] [3 5] [3 6] [3 7] [3 8] কিছু কোম্পানি, সরকার ও রাজনীতিবিদ উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল তথ্য ছাড়ায়। এটি শুধুমাত্র এখন আর লিখিত অক্ষরে বিদ্যমান নেই যেহেতু প্রযুক্তিহতভাবে অন্যান্য মিডিয়া ব্যবহার করেও করা যায়। এই ব্যাপারটি উইকিমিডিয়ার সম্পাদকদের কাজ বৃদ্ধি করবে এবং নিরপেক্ষ হিসেবে কাজ করতে বাধার সৃষ্টি করবে।
  • উইকিমিডিয়ার বিষয়বস্তু সেন্সর করার প্রবনতা কমেছে কিন্তু কিছু কিছু সরকার এখনো ব্যপকভাবে উইকিপিডিয়া সেন্সর করতেছে। এইচটিটিপিএস চালু করার পর কোন একটি সতন্ত্র পাতায় বাধাদান করা কঠিন হয়ে পরেছে। এটি হয়ত অল্প সময়ের জন্য কার্যকরী কিন্তু সেন্সরশীপে ঠেকানোর জন্য নতুন ধরণের সরঞ্জাম উন্নত করতে হবে।
  • ফেইসবুক ও টুইটারের সমত সামাজিক যোগাযাগের আধিক্য বেড়েছে, একই সাথে এসব মাধ্যম দিয়ে ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পরেছে এবং ঐতিহ্যবাহী তথ্য সংগ্রহের প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পাচ্ছে। এসব ভুল তথ্য নিয়ন্ত্রন করার জন্য সরঞ্জাম তৈরি করতে হবে তথ্যগুলো নির্ভূল ও ফ্যক্ট চেকের মাধ্যমে হয়।
  • যেহেতু বানিজ্যিক কোম্পানিগুলো বিভিন্ন অ্যাপ, প্রোডাক্ট ও প্লাটফর্ম তৈরি অব্যহত রেখেছে সেহেতু উইকিমিডিয়ার তথ্য খুব বেশি বিনিময় বা আদান প্রদান নাও হতে পারে।

এই ভুল তথ্যের উপর গবেষণাতে কিছু সমাধানও পরামর্শ আকারে দেওয়া হয়েছে। এই গবেষণাটি পড়ার মাধ্যমে আপনি কিভাবে মনে করেন উইকিমিডিয়া প্রকল্প সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি নির্ভরশীল, মুক্ত ও নিরপেক্ষ হতে পারে।


  1. বিবেচনা ২০৩০: ভুল তথ্য, যাচাইকরণ, এবং অপপ্রচার
  2. Bilton, Nick. "Fake news is about to get even scarier than you ever dreamed". Vanity Fair. January 26, 2017. Accessed May 30, 2017.
  3. Reporters Without Borders. "2017 World Press Freedom Index – tipping point?" April 26, 2017. Updated May 15, 2017. Accessed May 28, 2017.
  4. Nordland, Rod. "Turkey's Free Press Withers as Erdogan Jails 120 Journalists." The New York Times. November 17, 2016. Accessed June 7, 2017.
  5. Reporters Without Borders. "Journalism weakened by democracy's erosion". Accessed May 29, 2017.
  6. Paul, Christopher and Miriam Matthews. The Russian "Firehose of Falsehood" Propaganda Model: Why It Might Work and Options to Counter It. Santa Monica: RAND Corporation, 2016.
  7. Broderick, Ryan. "Trump Supporters Online Are Pretending To Be French To Manipulate France's Election". BuzzFeed News. January 24, 2017. Accessed June 7, 2017.
  8. Tufekci, Zeynep. "Dear France: You Just Got Hacked. Don't Make The Same Mistakes We Did". BuzzFeed. May 5, 2017. Accessed June 7, 2017.
দ্বিতীয় সপ্তাহ (বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন)

দ্বিতীয় সপ্তাহের চ্যালেঞ্জ: কিভাবে আমরা সমস্ত জ্ঞান লিপিবদ্ধ করবো যেখানে অধিকাংশই সাধারণভাবে যাচাই করা যায় না?

প্রধান বিষয়

বিশ্বের অধিকাংশ জ্ঞনই আমাদের সাইটে এখনো লিপিবদ্ধ করা যায়নি এবং এটি করার জন্য নতুন উপায়ে তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

বর্তমানে আমরা নির্ভরযোগ্য উৎস বলতে বুঝি পশ্চিমা সংস্কৃতির কোন একটি উৎস যে সংস্কৃতিতে প্রায় সব তথ্যই লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর অন্য অংশে এরকমভাবে জ্ঞান লিপিবদ্ধ নেই এবং সেগুলো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।

উদাহরণস্বরুপ, আফ্রিকার অনেক সংস্কৃতির নির্ভরযোগ্য দ্বিতীয় কোন উৎস বের করা কঠিন কারণ সেগুলো হয়ত মুখে মুখে প্রচার করা হয়েছে বা সেগুলো কলোনী থাকার কারণে পক্ষপাতিত্বভাবে লেখা হয়েছে।[2 1] কিছু কিছু সংস্থা সেসব তথ্য নথিবদ্ধ করে রাখার কাজ করছে, আমরা আমাদের সাইটে সসব তথ্য হয়ত কোনভাবে সেসব নথি থেকে সংগ্রহ করে বা উৎস হিসেবে ব্যবহার করে যুক্ত করতে পারবো। [2 2][2 3]

উইকিমিডিয়ান হিসেবে, নির্ভরযোগ্য উৎস হতে তথ্য আমরা আলাদা করতে পারি। কিন্তু গত সপ্তাহের বিষয় থেকে আমরা জেনেছি যে, পাঠকরা এমন ঐতিহ্যগত নির্ভরযোগ্য উৎস বাদ দিয়ে তারা যে ব্যক্তিকে বিশ্বাস করে তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।[2 4] এই বিষয়টি চিন্তা করে আমার উইকিমিডিয়াতেও একম কোন উৎসের পদ্ধতির কথা চিন্তা করা যায় কিনা সে ব্যাপারে ভাবা প্রয়োজন।

বিশ্বস্থ তথ্য আবিষ্কার ও বিনিময় ঐতিহ্যগতভাবে পরিবর্তন হবে।


  1. Uzo Iweala, Nigerian author and movement strategy advisor, interviewed by Zack McCune, 14 June 2017
  2. The People’s Archive of Rural India documents the occupational, linguistic, and anthropological diversity of India, in a storytelling way with images, text, and video. Adam Hochschild, Co-Founder, Mother Jones, interviewed by Katherine Maher, 16 June 2017
  3. LEAP Africa captures the memories of historical leaders that are mostly oral traditions, who have little evidence in the documented histories written by colonists. 58 expert summaries (June 2017), line 10
  4. Indonesia research findings draft May 2017
প্রথম সপ্তাহ (বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন)

প্রথম সপ্তাহের চ্যালেঞ্জ: কিভাবে এই পরিবর্তনশীল বিশ্বে আমাদের সম্প্রদায় ও বিষয়বস্তু খাপ খেতে পারে?

প্রধান বিষয়

পশ্চিমা ধাচের বিশ্বকোষ সাড়া বিশ্বের সবার জ্ঞান সংগ্রহের আগ্রহ পূরণ করতে পারছে না।

জাতিগত গবেষণা ও বিশেষজ্ঞ সাক্ষাতকার থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পাঠকগণ এমন একটি শিক্ষার প্লাটফর্ম চায় যা উইকিপিডিয়ার বর্তমান ফরম্যাটের চেয়েও উন্নত হবে এবং সেগুলোতে শুধু পশ্চিমা ঘরনার বিষয়বস্তু থাকবে না।[1] বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ফর্মাল শিক্ষা এখন আর অনেক স্থানে কাজে আসছে না, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশসমূহে যদিও অন্য স্থানের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য। মানুষ নতুন কিছু শিখতে বিদ্যমান অবকাঠামোকে ব্যবহার করছে।[2] উইকিপিডিয়া ও এর সহপ্রকল্পসমূহ বর্তমানে সমৃদ্ধ জ্ঞান অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়েছে কিন্তু পাঠকরা আরও নির্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী।[3] যারা অনলাইন জ্ঞান অর্জন করতে চায় তারা আরও সংক্ষিপ্ত কিন্তু সম্পূর্ণরুপে অথবা ভিজ্যুয়ালি সে জ্ঞানটি বা তথ্যটি অর্জন করে তাদের বাস্তব দক্ষতায় কাজে লাগাতে চায়।[3] উইকিপিডিয়ার বর্তমান গভীর তথ্য সমৃদ্ধ জ্ঞান খুব সম্ভবত এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত নয়। এটি বর্তমানে টেক্সট এর বাইরে অন্য ভাবে জ্ঞান সরবরাহের উপযোগীয়ও নয়।[4]

বিশ্বব্যাপী জ্ঞান বিনিময় আরও বেশি সামাজিকতা লাভ করেছে।

জাতিগত গবেষণা ও এর ফলাফল থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে দেখা যায়, তরুনরাই স্মার্টফোনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান নতুন উপায়ে করছে। এই নতুন দলটিকে আমাদের বাস্তুসংস্থানের সাথে যুক্ত করতে হবে।[5] এই দলের তরুনরা ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ সরঞ্জাম যেমন, হোয়াটসঅ্যাপ ও অন্য যে সরঞ্জামগুলো তারা ইতিমধ্যে ব্যবহার করে সেগুলোর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।[6] বিশেষজ্ঞরা মনে করেন নতুন কিছু অাসছে। উদাহরণস্বরুপ, অনেক তরুনরাই বিভিন্ন তথ্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগ সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাদের বন্ধু বা বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ বা আদান-প্রদান করছে।[6] এ ধারণাটা এতটাই প্রবল হচ্ছে যে, কেউ কেউ এখন আরও সেই ঐতিহ্যবাহী নির্ভরযোগ্য উৎস বলতে যা বুঝায় তার উপর নির্ভর করেন না, তারা বাস্তব জীবনে যাদের সাথে পরিচিত তাদের তথ্য আরও বেশি নির্ভরযোগ্য মনে করেন।[3] এই নতুন প্রবণতা বিশেষ করে আমরা ঐতিহ্যগতভাবে যাদের জ্ঞান সরবরাহ করতাম তাদের কাছে এর গুরুত্ব কমে যেতে পারে।

গল্পের মাধ্যমে মূল অন্তর্দৃষ্টিদান

যেহেতু ভিন্ন মানুষের মন ভিন্ন ভাবে কাজ করে, অনেক মানুষই ব্যক্তিগতভাবে এই গল্পগুলোকে নিতে পারে। (মনে রাখুন এগুলো গবেষণালব্ধ তথ্য অনুসারে কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে)

মাইকেল ও অ্যানিশার সাথে পরিচিত হোন, দুজন তরুন যারা ভিন্ন মহাদেশ ও ভিন্ন পরিবেশে বড় হচ্ছে। (বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন)
মাইকেল একজন তরুন যিনি যুক্তরাষ্টের ওয়াশিংটনে বসবাস করেন। সে ও তার বন্ধুরা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন এবং এটিকে তারা তথ্য আদান প্রদান বা বিশেষ কোন থথ্য বিনিময়ের কাজে ব্যবহার করেন। যদিও মাইকেল ও তার বন্ধুরা উইকিপিডিয়া সম্পর্কে জানে কিন্তু তারা তাদের পিতামাতার চাইতে কম সময় উইকিপিডিয়া পড়ে থাকে (৪৬% ভা. ৭২% সাপ্তাহিক বা আরও বেশি সময়ে পড়ে)।[7] যখন তারা উইকিপিডিয়া পড়ে তখন তারা নির্দিষ্ট একটি বিষয় অনুসন্ধান করে (৪১% সময়) বা যেগুলো তাদের পড়ালেখায় কাজে আসবে (২৩% সময়) সেগুলো ব্যবহার করে। ইউটিউব হলো তার ৩ নাম্বার প্রিয় ওয়েবসাইট। সে এবং তার বন্ধুরা সবসময়ই তাদের স্মার্টফোনের মাধ্যমে অনলাইনে সংযুক্ত থাকে।[8] সে বিভিন্ন উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে, তার বন্ধুদের কাছ থেকে, সিরির মাধ্যমে, তার কম্পিউটারের মাধ্যমে অথবা অ্যামাজন একোর মাধ্যমে। তার বাবা মায়ের মত মাইকেলের কাছেও যে বিষয়বস্তুগুলো সমৃদ্ধ ও বিশ্বাস করা যায় সেগুলো মূল্যবান।[7]

অ্যানিশা ইন্দোনেশিয়ার ব্যানডাং-এর ১৫ বছরের কিশোরী। তার পরিবার ধনী এবং তার একটি স্মার্টফোন রয়েছে (দেশের মোট জনসংখ্যার ২১%-এর মধ্যে একজন[9])। তার পরিবারে কম্পিউটার নেই সুতরাং সে স্কুলের জন্য তার যাবতীয় তথ্য তার স্মার্টফোনের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। বিশেষকরে সে হোয়াটসঅ্যঅপের মাধ্যমে তথ্য তার বন্ধুদের সাথে বিনিময় করে থাকে। তার পরিবার ও বন্ধুরায় তার সাথে হোয়াটসঅ্যাপে সংযুক্ত। সে তার বন্ধু বা পরিবার যাদের সে অনুসরণ করে তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্বাস করে থাকে। অনেকসময় সে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে তথ্য অনুসন্ধান করে থাকে যা উইকিপিডিয়ারি মাধ্যমে পায় কিন্তু সে এ ব্যাপারে অবগত নয় যে, তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া থেকে আসছে। নতুন কিছু জানার জন্য ইন্টারনেটে অনুসন্ধান সে খুব একটা করে না কারণ তথ্যগুলো সে তার বন্ধুদের মাধ্যমে অন্য সরঞ্জাম থেকে সংগ্রহ করে থাকে।